সিলেটে পুলিশ ও র্যাবের পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা হয়েছে। আর এই অভিযানে বিপুল সংখ্যক ইয়াবা বাড়ি (মেথঅ্যাম্ফিটামিন ও ক্যাফেইন মিশ্রিত বড়ি) উদ্ধার করা হয়। ওই সময় পুলিশ ও র্যাবের পৃথক পৃথক অভিযানে মোট ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার গণমাধ্যমে প্রেরিত আলাদা আলাদা বিবৃতিতে এমন তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট জেলা পুলিশ ও র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
পুলিশ জানায়, সিলেটের জকিগঞ্জের বাবুর বাজারে চালের ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা বেচতেন ময়নুল হক। এমন খবরে সোমবার (২৬ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জকিগঞ্জ উপজেলার ৬নং সুলতানপুর ইউনিয়নের বাবুর বাজারে বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দের সামনে ময়নুলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় জকিগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় ময়নুলের চালের দোকান থেকে ২ হাজার ১শ’ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ময়নুল হক (৪২) সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার ৬নং সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের মৃত আতর আলীর ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না। তিনি জানান, জকিগঞ্জের বাবুর বাজারে চালের ব্যবসায়ী ময়নুল হকের দোকানে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ১শ’ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। এই সময় মাদক ব্যবসায়ী ময়নুল হককেও গ্রেফতার করা হয়। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১০(খ) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সিলেটের হবিগঞ্জ জেলায় বাহুবল এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ (৯ হাজার ৪শ’ ৪০ পিস) ইয়াবা বড়িসহ ২জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)। র্যাব-৯ সূত্র জানায়, হবিগঞ্জের বাহুবল থানাধীন ৬নং মিরপুর ইউনিয়নের ঘোষপাড়া এলাকায় সোমবার (২৬ মে) আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টার দিকে ৫ হাজার ৪শ’ ৪০ পিস ইয়াবা বড়িসহ একজনকে এবং একইদিন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা বড়িসহ অন্য আরেক জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (২৬ মে) হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার ঘোষপাড়া গ্রামে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বরগুনা জেলার তালতলী থানার হাড়িপাড়া গ্রামের মো. আলতাফ হোসেনের ছেলে মাসুম বিল্লাহ (৪২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার আলাদাউদপুর গ্রামের মৃত আব্দুর বারেকের ছেলে অহিদ মিয়া (৬০)-কে গ্রেফতার করে র্যাব-৯।
প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ খ্রিঃ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয় ও জব্দকৃত আলামত হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।















